পরিচিত চিকিৎসক ডাক্তার এস এম সরোয়ারের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ধর্ষণ মামলা দায়ের করার তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়েছে তার সহকর্মী ও সচেতন মহল। তাদের দাবি, পেশাগত সাফল্য ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল চক্রান্ত করে এই স্পর্শকাতর মামলাটি সাজিয়েছে।
ঘটনার পটভূমি ও অভিযোগ:
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সম্প্রতি ডাক্তার এস এম সরোয়ারকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। তবে মামলার এজাহারে উল্লেখিত তথ্যাবলীর সাথে বাস্তব ঘটনাক্রম ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের চরম অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে তার আইনি দল জানিয়েছে।
ডাক্তার সরোয়ারের পরিচিত ও পেশাগত সহকর্মীদের মতে, চিকিৎসা সেবায় তার সুনাম এবং সামাজিক অবস্থান মেনে নিতে না পেরে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে আসছিল। কোনো উপায়ে তাকে প্রতিহত করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত এই ধরনের সংবেদনশীল ও মানহানিকর আইনি পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
ডাক্তার এস এম সরোয়ারের বক্তব্য:
এ বিষয়ে ডাক্তার এস এম সরোয়ারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে বলেন, "আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ শতভাগ বানোয়াট ও সাজানো। এটি আমার চিকিৎসা পেশা ও ব্যক্তিগত সম্মান নষ্ট করার একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আমি দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি এবং আদালতের মাধ্যমেই এই মিথ্যাচারের উপযুক্ত জবাব দেব।"
আইনজীবী ও সহকর্মীদের মতামত:
ডাক্তার সরোয়ারের আইনজীবীরা জানান, মামলার আরজিতে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল রেকর্ড ও কল ডিটেইলস সহ প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রমাণাদিতে নির্দোষিতার স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। দ্রুতই মামলাটি খারিজের জন্য আদালতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
চিকিৎসক মহলের মতে, একজন পেশাদার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ আনলে তা সাধারণ মানুষের সেবা প্রাপ্তি ও চিকিৎসকদের সুরক্ষাকে হুমকির মুখে ফেলে।
তদন্ত ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত চালানো হচ্ছে। ঘটনায় কোনো ষড়যন্ত্র বা ব্ল্যাকমেইলের অস্তিত্ব রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

0 Comments