২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ ও চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের পুনর্বহালের দাবি


 

২০০৯ সালে সংঘটিত পিলখানা হত্যাকাণ্ডে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিশনের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট অনতিবিলম্বে প্রকাশ এবং অধিনায়কের সামারী কোর্টে চাকরিচ্যুত সকল বিডিআর সদস্যকে নির্বাহী আদেশে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ‘অধিনায়কের সামারী কোর্টে চাকরিচ্যুত বিডিআর-২০০৯’-এর পক্ষে সংগঠনের সভাপতি প্রাক্তন সিপাহী মো. জহুরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল এক ভয়াবহ ও সুপরিকল্পিত জাতীয় ট্রাজেডি, যা কেবল বিডিআরের ওপর নয়, বরং পুরো রাষ্ট্রের কাঠামোর ওপর আঘাত হেনেছিল। দীর্ঘ সময় অতিক্রম করলেও এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণ সত্য আজ পর্যন্ত জাতির সামনে উন্মোচিত হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।


​সংগঠনের নেতারা জানান, ২০০৯ সালের পর গঠিত তদন্ত কমিশনের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট অবিলম্বে জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। সত্য গোপন রেখে কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে আরও অভিযোগ করা হয়, অধিনায়কের সামারী কোর্টে কোনো সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে অবিলম্বে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তাঁদের চাকরিতে পুনর্বহাল করার জোর দাবি জানান তাঁরা।


​একই সাথে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও জাতীয় নিরাপত্তার বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকল সামরিক, বেসামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে, অধিনায়কের সামারী কোর্টে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে সবসময় দায়িত্বশীল ও আপসহীন ভূমিকা পালন করে যাবে। 

Post a Comment

0 Comments