স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০২৬' প্রণয়ন বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠক: ড. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার বক্তব্য



 '


চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন, রোগী ও চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং হাসপাতালে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের তাগিদ দিয়েছেন বক্তারা। ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বিএমএ ভবনের শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন মিলনায়তনে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর উদ্যোগে "স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০২৬ প্রণয়ন বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠক ও আলোচনা সভা" অনুষ্ঠিত হয়।



অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাব-এর প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফারহাদ হালিম ডোনার। সভায় সভাপতিত্ব করেন ড্যাব-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব ডা. মোঃ জহিরুল ইসলাম শাকিল।


আলোচনা সভায় অন্যতম বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, এমপি। 


রোগীদের দায়িত্ব ও আইনি সহায়তার জোর তাগিদ

বক্তব্যে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেন, চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে শুধু চিকিৎসকদেরই নয়, রোগীদেরও সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে। আইন এমনভাবে প্রণয়ন করা উচিত যা উভয় পক্ষকেই সুরক্ষা দেবে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা রোগীর ক্ষতি হলে ভাঙচুর বা আইন নিজের হাতে না তুলে নিয়ে রোগীদের আইনি সহায়তার পথ খোলা রাখা প্রয়োজন।



হাসপাতালে আলাদা 'কাউন্সেলিং সেল' গঠনের প্রস্তাব

চিকিৎসা চলাকালীন জটিল পরিস্থিতি ও সংকটের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, হাসপাতালে ডাক্তাররা মূলত চিকিৎসা সেবামূলক কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তাই কোনো রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বা সংকটময় হলে তা স্বজনদের সঠিকভাবে বোঝানোর জন্য প্রতিটি হাসপাতালে একজন পেশাদার কাউন্সেলর ও আলাদা 'কাউন্সেলিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি। এর ফলে চিকিৎসক ও রোগীদের স্বজনদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় ভুল বোঝাবুঝি বহুলাংশে কমে আসবে।


আইনি সুরক্ষা ও থানা পুলিশের সহযোগিতা

স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিটি নিকটস্থ থানাকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। জরুরি পরিস্থিতিতে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেজন্য থানাগুলোতে অভিজ্ঞ বা দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।



ভুঁইফোড় সাংবাদিকতা ও গুজব রোধে নীতিমালার আহ্বান

আলোচনায় উঠে আসে যে, হাসপাতালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে বিভিন্ন ভুঁইফোড় সংবাদমাধ্যম বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা না বুঝে বা অতিরঞ্জিত তথ্য প্রচার করে বিভ্রান্তি তৈরি করে। এতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত রোগী কিংবা চিকিৎসক—কারোরই উপকার হয় না। এ ধরণের ভীতি ও অপপ্রচার বন্ধে স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইনের অধীনে সুস্পষ্ট নীতিমালা ও নির্দেশিকা রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়।


সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও একটি যুগোপযোগী ও কার্যকর 'স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০২৬' দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।


Post a Comment

0 Comments

/* ব্রেকিং নিউজ ও বাটন ব্যাকগ্রাউন্ড দেশ টিভি রেড কালার */ .breaking-news, .subscribe-btn, .button { background-color: var(--desh-red) !important; color: #ffffff !important; } /* ক্যাটাগরি মেনু ও বর্ডার কাস্টমাইজেশন */ .nav-menu, .menu-item { border-bottom: 1px solid #eeeeee; }
সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি ধর্ম ভিডিও নিউজ