সার্বিয়া, মেসিডোনিয়া ও মলদোভাগামী কর্মীদের ম্যানপাওয়ার কার্যক্রম দ্রুত চালুর দাবি


 

সার্বিয়া, মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় কর্মসংস্থানের জন্য ইতোমধ্যে বৈধ ভিসা পাওয়া বাংলাদেশি কর্মীরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ভিসা পাওয়ার পরও দীর্ঘদিন ধরে ম্যানপাওয়ার (Manpower)/রিক্রুটমেন্ট কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক কর্মী নির্ধারিত সময়ে তাদের কর্মস্থলে যেতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত বন্ধ থাকা ম্যানপাওয়ার কার্যক্রম চালু ও প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের দাবি জানিয়েছে ‘ইউরোপ ভিসা প্রত্যাশী ঐক্য পরিষদ’।


​প্রেস রিলিজে সংগঠনটি জানায়, এসব কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের আশায় দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অর্থ, সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন। অনেকের হাতে ইতোমধ্যে বৈধ ভিসা থাকলেও ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স বন্ধ থাকায় তারা কর্মস্থলে যোগ দিতে পারছেন না। এতে একদিকে কর্মীরা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন, অন্যদিকে তাদের পরিবারগুলোও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে।

​সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, কোনো অনিয়ম বা অবৈধ প্রক্রিয়ার জন্য তারা দাবি করছেন না। যারা সম্পূর্ণ বৈধভাবে ভিসা ও চাকরির সুযোগ পেয়েছেন, তাদের যাত্রাপথ যেন অকারণে বন্ধ না থাকে, সেটিই তাদের মূল দাবি।

​প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ৬টি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়:

​১. বাংলাদেশ থেকে সার্বিয়া, মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বৈধ ম্যানপাওয়ার/রিক্রুটমেন্ট কার্যক্রম দ্রুত পুনরায় চালু করা।

২. ইতোমধ্যে ভিসা পাওয়া বাংলাদেশি কর্মীদের দ্রুত সংশ্লিষ্ট দেশে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা।

৩. যেসব কর্মীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে, তাদের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করা।

৪. ম্যানপাওয়ার কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে কর্মীদের যে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষতি হচ্ছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।

৫. বাংলাদেশি কর্মী ও বৈধ রিক্রুটিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত একটি সুস্পষ্ট ও কার্যকর সিদ্ধান্ত জানানো।


৬. একই কোম্পানিতে ৫ জনের বেশি কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে নতুন করে অতিরিক্ত অনুমোদন ও ডিমান্ড লেটার অ্যাটেস্টেশনের বাধ্যবাধকতা অযৌক্তিক প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করছে। ফলে দীর্ঘ যাচাই-বাছাইয়ের কারণে বৈধ ভিসা মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তাই পূর্বে যাচাই-বাছাই ও বৈধ ভিসার ভিত্তিতে সহজ ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

​সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়, প্রতিটি কর্মী সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে স্বেচ্ছায় ও নিজ দায়িত্বে বিদেশে কর্মস্থলে যোগদান করছেন এবং প্রয়োজনে এ বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকারনামা প্রদান করতেও তারা প্রস্তুত। "ভিসা পাওয়ার পরও যেন কোনো বাংলাদেশি কর্মী অনিশ্চয়তায় আটকে না থাকেন"— এই প্রত্যাশায় বিষয়টি দ্রুত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে সমাধান প্রদানের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ইউরোপ ভিসা প্রত্যাশী ঐক্য পরিষদ। 

Post a Comment

0 Comments

/* ব্রেকিং নিউজ ও বাটন ব্যাকগ্রাউন্ড দেশ টিভি রেড কালার */ .breaking-news, .subscribe-btn, .button { background-color: var(--desh-red) !important; color: #ffffff !important; } /* ক্যাটাগরি মেনু ও বর্ডার কাস্টমাইজেশন */ .nav-menu, .menu-item { border-bottom: 1px solid #eeeeee; }
সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি ধর্ম ভিডিও নিউজ