ধর্মের ভিত্তিতে নয়, বরং দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও আসনটির ৮টি মন্দিরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণে জানান।
📌 প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল দিকগুলো:
উদার ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন—
- নাগরিক অধিকার: "একজন নাগরিক হিসেবে যার যে অধিকার রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে আমার দায়িত্ব।"
- ঐতিহাসিক সম্প্রীতি: মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণ-আন্দোলন কিংবা ২০২৪-এর বিপ্লব—জাতির যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে সব ধর্মের মানুষ একসাথে লড়াই করেছে। তাই রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্মকে বিবেচনায় আনার সুযোগ নেই।
- নির্যাতনের অভিজ্ঞতা: বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হতে গিয়ে যেমন সব ধর্মের মানুষ ভুক্তভোগী হয়েছেন, তেমনি আজ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও সবাই সমান অধিকার পাবেন।
- সদিচ্ছা ও অঙ্গীকার: "অল্প সময়ে যতটুকু সম্ভব আমরা করেছি, আরও কিছু বিষয়ে চেষ্টা চলছে। আল্লাহ তাআলা আমাকে যে সুযোগ দিয়েছেন, আমি মানুষ হিসেবে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।"
অকুণ্ঠ সমর্থন ও ধন্যবাদ হিন্দু নেতাদের:
মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ বিএনপির দায়িত্ব গ্রহণের পর গৃহীত নানা পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে পূজার ছুটি ও অনুদান বৃদ্ধি করায় তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে তাঁরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন। তাঁরা বলেন, "বিএনপিকে ভোট দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যে ভুল করেননি, তা সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বারবার প্রমাণিত হচ্ছে।" সরকারের সাথে সার্বিক সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তাঁরা।
#TariqueRahman #Bangladesh #Dhaka17 #DurgaPuja2026 #NationalUnity #BangladeshGovernment #PoliticalNews

0 Comments