যথাযোগ্য মর্যাদা, বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং পরিকল্পিত ও টেকসই নগর বাস্তবায়নের সুদৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’। এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিবসটির আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব জাকারিয়া তাহের সুমন, এমপি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ এবং সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিশিষ্ট নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে মাননীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, "বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের সর্বস্তরের জনগণের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও পরিবেশবান্ধব আবাসন নিশ্চিত করা। দ্রুত বর্ধনশীল নগরায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলায় আমাদের এখনই সুদূরপ্রসারী ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।"
মন্ত্রী আরও জোর দিয়ে বলেন, "গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্র পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক নগর সুবিধার প্রসার ঘটানো আবশ্যক। তরুণ সমাজকে সম্পৃক্ত করে আধুনিক প্রযুক্তি ও সবুজ স্থাপত্যের (Green Architecture) সমন্বয়ে আমরা এমন এক বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।"
অনুষ্ঠানে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করা হয়, যেখানে জলবায়ু সহনশীল আবাসন ব্যবস্থা এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা পর্ব শেষে মন্ত্রী মহোদয় মেলা ও স্মারক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন।
উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়, যা রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আয়োজনে অংশ নেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণ।






0 Comments