দীর্ঘ ১৬ বছরের বকেয়া পাওনা আদায় এবং টানা ১৯ মাসের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দ্বারে হাজির হয়েছেন গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মচারীরা। সমস্যা সমাধানে অভিভাবক সংস্থা হিসেবে বিটিআরসির কার্যকর হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে তারা স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে আন্দোলনরত কর্মীদের প্রতিনিধি সংবাদমাধ্যমকে জানান, অভিভাবক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিটিআরসি তাদের আবেদন আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।
তিনি আরও জানান, মূল পাওনা ও সুবিধাদিসহ পূর্বে টাকার পরিমাণ বিশাল হলেও তারা বড় ধরনের ছাড় দিয়েছেন। তারা ৯৭.৯৭ শতাংশ পাওনা ছাড় দিয়ে মাত্র ২.০৩ শতাংশ দাবি করছেন, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ১০ কোটি টাকা।
আন্দোলনকারীরা বলেন, কর্মীদের প্রাপ্ত পাওনা পরিশোধ করা হলে তার বিপরীতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ভ্যাট ও ট্যাক্স বাবদ সরকারি কোষাগারে জমা হবে, যা জাতীয় বাজেট ও দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
পরিস্থিতির স্থায়ী ও সুনির্দিষ্ট সমাধানের লক্ষ্যে আন্দোলনরত সাবেক কর্মীরা এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, বিটিআরসি ও সরকারের মধ্যস্থতায় গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ দ্রুত আলোচনায় বসে তাদের ন্যায়সংগত পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।



0 Comments