প্রশাসন ও বদলি বাণিজ্যে বিপ্লব: কুমিল্লা বরুড়ার গর্ব গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের মডেল অনুসরণ করছে অন্যান্য মন্ত্রণালয়


 

বদলি ও পদায়ন মানেই এক সময় ছিল অনিয়ম, তদ্বির আর কোটি কোটি টাকার গোপন লেনদেনের অভিযোগ। দীর্ঘদিনের এই অসুস্থ সংস্কৃতি ভেঙে প্রশাসনে এক যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের প্রিয়নেতা ও বর্তমান গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জনাব জাকারিয়া তাহের (সুমন)। মন্ত্রী পদে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই স্বচ্ছতা, সততা ও যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে তিনি যে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক মডেল চালু করেছেন, তা এখন সরকারি প্রশাসনে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, তাঁর এই সফল ‘জিরো টলারেন্স’ বদলি মডেল এখন অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোতেও অনুসরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

​বদলি-বাণিজ্য বন্ধে যুগান্তকারী পদক্ষেণ

​গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন ও বদলি নিয়ে অতীতে বহু বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। তবে জনাব জাকারিয়া তাহের সুমন দায়িত্ব নেওয়ার পর শত কোটি টাকার সিন্ডিকেট ও বদলি-বাণিজ্য কঠোর হাতে দমন করেন।

​তিনি স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক তদ্বির ও অনিয়মের উর্ধ্বে উঠে স্বচ্ছ নীতিমালা, সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদায়ন নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রীর এই কঠোর অবস্থানের কারণে সিন্ডিকেট চক্র একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে, যা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।

​অন্যান্য मंत्रालয়ে ‘সুমন মডেল’ অনুসরণের হাওয়া

​প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও সততা ফিরিয়ে আনতে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর এই উদ্যোগের সুফল ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান। জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাধারণ কর্মচারীরাও কোনো প্রকার হয়রানি বা আর্থিক লেনদেন ছাড়া তাঁদের প্রাপ্য পদায়ন পাচ্ছেন।

​মন্ত্রীর এই দূরদর্শী সিদ্ধান্ত ও অভাবনীয় সফলতার পর অন্যান্য নীতি-নির্ধারণী মন্ত্রণালয়ও এই মডেলে অনুপ্রাণিত হচ্ছে। সরকারি প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্যান্য প্রধান প্রধান মন্ত্রণালয়েও গণপূর্তের আদলে একই রকম নীতি ও ডিজিটালাইজড প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের চিন্তাভাবনা চলছে।

​সততা ও জবাবদিহিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

​প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সততা ও যোগ্য নেতৃত্ব থাকলে দেশের পুরো প্রশাসনিক কাঠামোকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করা সম্ভব—জনাব জাকারিয়া তাহের সুমন তা হাতেনাতে প্রমাণ করেছেন।

​তাঁর গৃহীত পদক্ষেপের মূল ভিত্তিগুলো হলো:

  • ​জিরো টলারেন্স নীতি: ঘুষ, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান।
  • ​মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন: উপযুক্ত স্থানে উপযুক্ত কর্মকর্তা নিয়োগ।
  • ​তদ্বির সংস্কৃতি বিলোপ: কোনো প্রকার ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সুনির্দিষ্ট তদ্বির ছাড়াই প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা।
  • ​স্বচ্ছতা ও ডিজিটালাইজেশন: বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নাতীত ও নিয়মমাফিক করা।

​বরুড়া তথা কুমিল্লার গর্ব ও জনতার আস্থা

​কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার মাটি ও মানুষের সুপরিচিত এই নেতা সংসদ সদস্য হওয়ার পাশাপাশি মন্ত্রী হিসেবেও জাতীয় পর্যায়ে নিজ মেধা ও নেতৃত্বের সুবাতাস ছড়িয়ে দিয়েছেন। বরুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সততা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি আজ পুরো কুমিল্লার গর্বে পরিণত হয়েছেন।

​স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, সত্য ও যোগ্য মানুষের হাতে দায়িত্ব পড়লে যে কোনো মন্ত্রণালয়ের চেহারা বদলে যায়, তার জলন্ত উদাহরণ আমাদের নেতা জাকারিয়া তাহের সুমন। এমন একজন সৎ ও মাটি-মানুষের নেতা পেয়ে আমরা বরুড়াবাসী দারুণ গর্বিত।”

​কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আস্থা অর্জন, দুর্নীতির অবসান এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের জন্য রোল মডেল তৈরি—সব মিলিয়ে জাকারিয়া তাহের সুমন মহোদয়ের এই স্বচ্ছ ও সৎ নেতৃত্ব রূপকল্প বাস্তবায়নে দেশের প্রশাসনিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে।

Post a Comment

0 Comments